Showing posts with label আমাদের গল্প. Show all posts
Showing posts with label আমাদের গল্প. Show all posts

Tuesday, December 22, 2020

আমি উন্মাদ কবি


আমি জলজ্যান্ত পাথর

নিজেকে হারানোর আর্তনাদ কখনো আমায় আঘাত‌‌ করেনি।

আমি পোড়া বাড়ি

সুখের অভাবে নিজেকে পুড়িয়েছি বহুকাল ধরেই।

আমি মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা

পাহাড় সমান একাকিত্ব আমার বুকে।

আমি নীলরঙা আকাশ

বিষাদের তান্ডব নৃত্য বহমান আমার প্রতিটি মুহূর্তে।

আমি নিতান্তই বেহিসেবি

প্রাপ্তির খাতায় বাকি রেখে কাটিয়ে দিচ্ছি বেশ।


আমি সময়ের স্পন্দন

আমি অদৃশ্য অন্ধকার

আমি মহাকাল

আমি বেঁচে থাকা এক উন্মাদ কবি

আমি কবিতা লিখি,

আমি আকি তোমাদের ছবি।


আমি উন্মাদ কবি


Share:

Thursday, June 27, 2019

মিস করছি ভীষণ - ভাবুক

ব্যস্ত ছিলে খুব?
নাকি ঘুমের সাগরের দিয়েছিলে ডুব?
মেসেজ দিয়েও পাইনি উত্তর,
এখনও কেন তুমি চুপ?

ভুলেই তো গেছো আমায়
নাই কোনো মুল্য,
আছি আছি বলে সম্পর্কটা
আর কতকাল ঝুললো?


কত যে হলো বকা
কথা হয়না অনেক্ষন!
ঝুম বৃষ্টির মাঝরাতে
তোমায় মিস করছি ভীষণ।

২৭ জুন ২০১৮
রাত ১২ টা

Share:

Wednesday, June 26, 2019

জীবনের লড়াই

জীবনের বাস্তবতা আসলেই খুব কঠিন।প্রতিনিয়ত কেটে যায় চাওয়া আর পাওয়ার ক্যালকুলেশনে। স্বল্প পরিসরের জীবনকে দীর্ঘতম করা মানুষের আজন্ম প্রয়াশ। কিছু ক্ষেত্রে মানুষ না চাইলেই পেয়ে যায়, কিন্তু চাওয়ার পাওয়াটা সবসময় সম্পূর্ণ হয়ে ওঠেনা। আর না পাওয়ার চেতনা মানুষকে নতুন করে চাইতে শেখায়। মনের গহিনে বুনতে শেখায় নতুন স্বপ্ন।

আমরা সবাই নিজেকে নিজের স্বপ্নের পৃথিবীতে রাজা ভাবি। অনেক ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তুলি স্বপ্ন কাব্য। স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে মানুষ মৃত্যু দুয়ারে এসেও ছোট্ট একটি অনুপ্রেরণা খুঁজে বাঁচার জন্য।

কিন্তু প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই মানুষ তার অনেক স্বপ্ন পূরনের খুব কাছাকাছি গিয়েও স্বপ্নগুলো পূরন করতে পারেনা। কেই কেউ স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট নিতে নিতে স্বপ্নহীন হয়ে একসময় মুখ থুবড়ে পড়ে যায়। আবেগ অনুভূতি সব বিসর্জন দিয়ে হয়ে যায় পাগল প্রায়।
আমাদের সমাজে একে অন্যের দেখা স্বপ্নকে শ্রদ্ধা সম্মান করতে জানেনা।  স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রেরণা তো দিতে পারেনা। বরং স্বপ্ন পূরণের বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

এভাবেই চলতে থাকে আমাদের জীবনের ভাঙা গড়ার লড়াই। তবে মাঝে মাঝে সময়গুলো খুব এলোমেলো ভাবে যেন পেছন ফিরে ডাকে। মনে করিয়ে দেয় পেলে আসা স্বপ্ন গুলির কথা। আর এটাই বাস্তবতা। কিন্তু স্বপ্ন দেখা মানুষ গুলি কঠিন বাস্তবতা সহজে মেনে নিতে পারেনা।স্বপ্নকে জয় করার লক্ষ বাদ দিয়ে লক্ষভ্রষ্ট হওয়া মানুষগুলো একসময় ব্যস্ত হয়ে যায় স্মৃতি হত্যার  লড়াইয়ে। সেটা হয়ে না হয়ে ওঠলেও জীবনের ক্যালকুলেশন টা একসময় ঠিকই মিলে শূন্যে পরিনত হয়।

~ ইসমাইল হোসেন

Share:

Tuesday, March 12, 2019

এবার তোরা মানুষ হ- ৩

জীবনটা কত ঠুনকো, না?? কত সহজেই নামের পাশে মৃত লেখা হয়। নামের আগে মরহুম শব্দ ব্যবহার করা হয়।
মৃত্যু সে তো সস্তা জিনিস!
যখন তখন মৃত্যু হয়। রাস্তার মোড়ে গাড়ির তলে, রেল লাইনে, মাঝির নৌকায়, বোটে কিংবা লঞ্চে। US Bangla এর মতো  ছিটকে পড়া কত বিমানে।
মৃত্যু আসলেই সস্তা জিনিস!
খাদ্য,বস্ত্র চিকিৎসার অভাবে কত লাশই পাওয়া যায়। কত মানুষ প্রাণ দিচ্ছে শাড়ির আঁচল কিংবা দড়িতে, কেওবা বিষের শিশি বা ঘুমের বড়িতে। ডাক্তারের হাতে মৃত্যও কম নয়।
মৃত্যু কত সহজ! মৃত্যুর ইতিহাস ও তো কত! বোমা বারুদ, কামান, পাহাড় চাপা,  আগুনের লেলিহান শিখা সৃষ্টির করে নতুন নতুন মৃত্যুর সংবাদ।
কিন্তু জন্ম-
সে তো এতো সস্তা না, সহজ না!
কতরাত নির্ঘুম কাটাতে হয় একটা জন্মের জন্য,
কতটি কচি পায়ের আঘাত,
কতটি মাস ধরে সয়ে যেত হয়,
কত ত্যাগ লাগে একটি জন্মের জন্য।
লক্ষ কোটি শুক্রাণুকে লড়াই এর মাঝে একটি মাত্র জন্ম হয়।
একটি জন্মের জন্য একজন মাকে ১০ মাস ১০ দিন নিদারুন কষ্ট করতে হয়।
জন্ম এতো সহজ নয়!
তবুও কিছু অমানুষ কুলাঙ্গারের জন্য এই জন্মের ফসল পাওয়া যায় ডাস্টবিনে, ড্রেনে কিংবা ঝোপে ঝাড়ে। তবে কেন??
কবি নিস্তব্ধ, কবি নিরব। আবার তোরা মানুষ হ‌.......

আবার তোরা মানুষ হ‌-৩
ইসমাইল হোসেন
১২-০৩-২০১৮
Share:

Thursday, March 7, 2019

মৃত্যু

হঠাৎ চলে গেলাম ওপারে, তবে কি ক্ষতি হবে এই পৃথিবীর?
কিছুই না।
হয়তো আত্নীয় স্বজনরা কাঁদবে, তাও কিছুক্ষনের জন্য! কিছু সময় পর তারা কাঁদবে না। নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। কারন খুঁজলে দেখা যাবে  তাদের অনেকের কান্নার পিছনে বিন্দু মাত্র হলেও স্বার্থ ছিলো।
 খুব কম মানুষই মায়ায় পড়ে কাঁদে।এক ধরনের জাগতিক মায়া। যে মায়া সৃষ্টি হয় স্বার্থহীন বন্ধন থেকে।

আচ্ছা যার আপন কেউ নেই, তার চলে যাওয়াতে কান্না করার মতো কেউ কি থাকে?
জানিনা! অতটুকু আমার জানার মধ্যে পড়েনি।

পৃথিবীর নানারকমের লোক পাওয়া যায়, যারা নিজে অন্যের জন্য করে। ভাত খাইয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে অন্যের ভালোর জন্য কুরআন তেলোয়াত করা অবদি সব লোকই পাওয়া যায়।
ভাই
আচ্ছা কারো মৃত্যুতে কান্না করার জন্য ভাড়ায় লোক পাওয়া যায়?
 পেলে ভালো হতো। অন্তত তাদের জন্য, যাদের মৃত্যু স্বেচ্ছায় কান্না করার মতো কেউ নেই।

আচ্ছা মৃত মানুষের জন্য কান্না করা কি খুব জরুরী? মৃত্যুকে হাসি মুখে মেনে নেওয়া যায়না কেন? মৃত্যুকি শুধুই হৃদয়বিদারক?
কই কারো মৃত্যুতে তো পৃথিবীর খুব একটা ক্ষতি হয়না! দুএকদিন শোক করে সবাই নিজের মতো করে ভুলে যায়। তাহলে কেন মৃত্যুতে কাঁদতে হবে?

আচ্ছা! আমি চলে গেলে তোমরা কি কাঁদবে?
এই দুএকদিনের জন্য লোক দেখানো কান্না করবে আমার জন্য?

-খুব ভাবায় আমাকে,,,,,,!

~ ইসমাইল হোসেন ( ভাবুক)
Share:

Friday, February 22, 2019

আমার আমি- ইসমাইল হোসেন

মানুষের প্রাপ্তির শেষ নেই। একটা পেলে আরেকটা পেতে চায়। এক ইচ্ছা পূরণ হলে ছুটতে চায় আরেক ইচ্ছে পূরণের জন্য। ছুটিতে ছুটতে একসময় ফুরিয়ে যায়।
বুড়ো হয়।
পেকে যায়।
মরে যায় মানুষ।
তবুও ছোটা। ছোট্ট এই জীবনকে  ফুটিয়ে তোলে মনের আয়নায়। সাজায় লাল নীল স্বপ্নে। স্বপ্ন তো নয়, যেন এক একটি জীবন্ত উপন্যাস। যার প্রতিটি লাইন,প্রতিটি শব্দ মানুষের জীবন থেকে নেওয়া। বাস্তবতা থেকে নেওয়া। জীবনটা এক সময় থেমে যায়। কিন্তু স্বপ্নময় উপন্যাস গুলো থেকে যায় ইতিহাসের পাতায়।  আমরা বাঁচতে চাই, আমাদের স্বপ্ন গুলোকে সাথে নিয়ে। লড়তে চাই, জিততে চাই জীবন যুদ্ধে।
কারন আমি মানেই আমার জীবন। জীবন যুদ্ধের জয় আমার জয়।
আমার আমি।
আমার অস্তিত্ব আমি।
আমার স্বপ্ন আমি।

~ ইসমাইল হোসেন
২০-০২-২০১৮
Share:

Saturday, January 12, 2019

নিঃসঙ্গ রাত্রি

দিনটা ব্যস্ততায় কাটিয়ে দিতে পারলেও রাত্রিটা সম্ভব হয় না। সকল ব্যস্ততা রাত্রির দীর্ঘতার সাথে ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়।মন গহিনে নেমে আসে শূন্যতা। শূন্যতাকে দেখা যায়না,শুধু আত্না দিয়ে উপলব্ধি করা যায়। শূন্যতা কাটানোর চেষ্টা মানুষের সেই সৃষ্টিলগ্ন থেকেই। কিছু মানুষের রাত্রি যাপনের সঙ্গী হয় পুরোনো স্মৃতি,আর কিছু স্বপ্ন ভাঙ্গার গল্প। আর কেউ রাত জেগে জেগে নতুনভাবে স্বপ্ন বুনে।

রাত্রিটা বেশিরভাগই রসকস হীন হয়। কেউ কেউ রাত্রিকে বন্ধুরূপে স্থান দেয়। তবে রাত জাগা মানুষ গুলো অদ্ভুত হয়। তারা অন্ধকারে নিজেকে ডুবিয়ে রাখতে পারলেও সূর্যোদয়ের মতো সুন্দর দৃশ্য তারা দেখতে পায়না। মানুষের
জেগে থাকা রাতগুলোর জরিমানা সবসময় সকালকেই পরিশোধ করতে হয়।
সকালের এতে আক্ষেপ নেই। কারন রাত আছে বলেই সকালের এতো গুরুত্ব।

রাত ৩:০০
১২ জানুয়ারি ২০১৯
মিরপুর ১৩, ঢাকা
Share:

Wednesday, October 10, 2018

শূন্যতেই শেষ- ইসমাইল হোসেন

জীবনের বাস্তবতা আসলেই খুব কঠিন।প্রতিনিয়ত কেটে যায় চাওয়া আর পাওয়ার ক্যালকুলেশনে। স্বল্প পরিসরের জীবনকে দীর্ঘতম করা মানুষের আজন্ম প্রয়াশ। কিছু ক্ষেত্রে মানুষ না চাইলেই পেয়ে যায়, কিন্তু চাওয়ার পাওয়াটা সবসময় সম্পূর্ণ হয়ে ওঠেনা। আর না পাওয়ার চেতনা মানুষকে নতুন করে চাইতে শেখায়। মনের গহিনে বুনতে শেখায় নতুন স্বপ্ন।

আমরা সবাই নিজেকে নিজের স্বপ্নের পৃথিবীতে রাজা ভাবি। অনেক ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তুলি স্বপ্ন কাব্য। স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে মানুষ মৃত্যু দুয়ারে এসেও ছোট্ট একটি অনুপ্রেরণা খুঁজে বাঁচার জন্য।

কিন্তু প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই মানুষ তার অনেক স্বপ্ন পূরনের খুব কাছাকাছি গিয়েও স্বপ্নগুলো পূরন করতে পারেনা। কেই কেউ স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট নিতে নিতে স্বপ্নহীন হয়ে একসময় মুখ থুবড়ে পড়ে যায়। আবেগ অনুভূতি সব হারিয়ে হয়ে যায় পাগল প্রায়।
আমাদের সমাজে একে অন্যের দেখা স্বপ্নকে শ্রদ্ধা সম্মান করতে জানেনা।  স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রেরণা তো দিতে পারেনা। বরং স্বপ্ন পূরণের বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

এভাবেই চলতে থাকে আমাদের জীবনের ভাঙা গড়ার লড়াই। তবে মাঝে মাঝে সময়গুলো খুব এলোমেলো ভাবে যেন পেছন ফিরে ডাকে। মনে করিয়ে দেয় পেলে আসা স্বপ্ন গুলির কথা। আর এটাই বাস্তবতা। কিন্তু স্বপ্ন দেখা মানুষ গুলি কঠিন বাস্তবতা সহজে মেনে নিতে পারেনা।স্বপ্নকে জয় করার লক্ষ বাদ দিয়ে লক্ষভ্রষ্ট হওয়া মানুষগুলো একসময় ব্যস্ত হয়ে যায় স্মৃতি হত্যার  লড়াইয়ে। সেটা হয়ে না হয়ে ওঠলেও জীবনের ক্যালকুলেশন টা একসময় ঠিকই মিলে শূন্যে পরিনত হয়।
Share:

Saturday, October 6, 2018

এটাই যে ভোর- ভাবুক

বালিশগুলো এখন দুপাশেই গরম।ভাবনা এখনও শেষ হয়নি,কানাকুয়োর ডাক আর দাঁড়কাকের কান্না ওখানে অনবরত।
সারারাত ঘুম হয়নি।
আসলে ঘুমাতে যাবার কথা ভাবতেই দেরি হয়ে গেছে।জেগে জেগে স্বপ্ন বুনেছিলাম।আস্তে আস্তে ফুটে উঠেছে কি অসহনীয় সাদা,অন্ধের গভীর সাদা।আরে এটা তো সূর্যের আলো।এটাই যে ভোর।


Share:

Thursday, August 30, 2018

বিশ্বাস- ভাবুক

বিশ্বাস জিনিসটা খুবই দামি। একটা বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে কয়েকটা মানুষের জীবন।পৃথিবীতে প্রতি মূহুর্তে সহস্র বিশ্বাস ভাঙ্গার কর্কট শব্দে দ্বি খন্ডিত হচ্ছে অগনিত মানুষের হৃদয়। এরপরেও পৃথিবীটা এখনও বিশ্বাসের উপর স্থীর। কেউ একজন বিশ্বাস ভাঙ্গবে জেনেও আমরা বিশ্বাসের তীরটা তার দিকে ছুঁড়ে মারি। আর লক্ষ্য একটাই, আমার তীরটা কখনও লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে না।

Share:

Tuesday, July 31, 2018

আমার অজানা গন্তব্য- ভাবুক

হেঁটে যাই নির্জন গ্রামের সরু পথ ধরে। শেষ বিকেলের পড়ন্ত রোধের আলো গাছের পাতার ফাঁকে যেন আলতো ছুঁয়ে যায়। গাছের শুকনো পাতাগুলোর পায়ের তলায় পড়ে মরমর শব্দটা আমাকে ভাবিয়ে তোলে। গাছে ছোট্ট ছোট্ট ঢালপালা গুলো যেন আমায় অভ্যর্থনা দেয়। যেন জিগ্যেস করে-
"হে পথিক! যাত্রা তোমার কতদিনের?"
 
উত্তর দিতে বড় ইচ্ছে হয়। কিন্তু উত্তরটা আমার জানা নয়। সৃষ্টা নিজ হাতে উত্তরটা রেখে দিয়েছে। তাই মাথা নিছু করে হেঁটে যাই।  পথে দেখা হয় কত কৃষক, শ্রমিক,দিনমুজুর আর নামীদামি ব্যাক্তিদের সাথে । তারাও নাকি আমার মতো কয়েকদিনের পথিক! আস্তে আস্তে সুর্যের আলো লাল হয়ে হারিয়ে যায় । রাতের আধার ঘনিয়ে আসে। কিন্তু আমার পদারচনা শেষ হয়না। রাত-দিন, সকাল -বিকেল চলতেই‌ থাকে‌। হাটছি তো হাটছিই। মন চাইলে পিছনে ফিরে দেখি কি হয়েছিলো অতিতে। হাসি কান্না, সুখ দুঃখের মাঝেও থামেনা আমার এই ভ্রমন।

আমি হেঁটে যাই, চলে‌ যায়,‌ছুটে যাই আমার অজানা গন্তব্যে,,,,,।

~ আমার অজানা গন্তব্য
© ইসমাইল হোসেন

Share:

Thursday, June 7, 2018

আমার কবে ছুটি হবে- ভাবুক

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হচ্ছে।  বসে আছি গায়ের মাথার এক দীঘির পাড়ে। সূর্যের রক্তিম আলো এসে গায়ে পড়তেছে।চারিদিকটা কেমন নিস্তব্ধ। পাশের রাস্তা দিয়ে কিছুক্ষন পর পর কৃষকেরা বাড়ি যাচ্ছে। শুধু দীঘির পাড়ের গাছগাছালির উপর বসা পাখিগুলোরই কিছিরমিছির শব্দ শোনা যাচ্ছে। এইতো কিছুদিন আগে  সফিক চাচার জমিতে কত খেলেছি।ক্রিকেট ফুটবল কাবাডি আর গোল্লাছুট। সেই সব বন্ধুগুলা আজ কোথায় আছে ঠিক নেই।  কেউ পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত, কেউ আবার অভাব অনটনে পড়াশুনা বাদ দিয়ে কর্ম জীবনে পা রেখেছে। আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন সবাই মোটামুটি প্রকৃতি থেকে দূরে। যেসময় সফিক চাচার জমিতে চার,ছয় আর উইকেট নিয়ে চিৎকার আনন্দ হতো, এখন সেসব কিছু মোবাইলের WCC2, Real Cricket, বা PC এর Ashes Cricket এ আবদ্ধ। এখন আর মাঠে গোল উল্লাস হয়না। সেটাও হারিয়ে‌ গেছে Dream League Soccer, Pes 18, বা Real Football নামক গেমস এর মাঝে। বন্ধু গুলো যেন প্রকৃতি থেকে ছুটি নিয়ে নিয়েছে।  মানুষগুলোও খুব অদ্ভুত হয়েগেছে। সবসময় সবার মাঝে দুঃখ বিরাজ করে। থাকে না পাওয়ার আর্তনাদ। মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয়, সবার দুঃখগুলো যদি আধুনিকতার ছোঁয়ার ShareIT বা Bluethoot দিয়ে নিজের করে নিই,দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্ত করি সবাইকে। কিন্তু পারিনা, সেই অক্ষমতা সবসময় আমাকে কুড়েকুড়ে খায়। আমি আর পারছিনা এই অদ্ভুদ জগতে থাকতে। আত্নহত্যা যদি মহাপাপ না হতো, সেই কবেল বিদায় নিতাম।
দূরে সন্ধ্যার ট্রেন ঝকঝক করে যাচ্ছে গঞ্জের দিকে। গোধুলীর আলো আমার গায়ে এসে লেপ্টে পড়ছে। তারই মধ্যে শুনা গেলি মুয়াজ্জিনের আজানের ধ্বনি। দীঘির পাড় থেকে উঠে হাটা ধরলাম মসজিদের দিকে, আর মনেমনে ভাবতে লাগলাম "আমার কবে ছুটি হবে?"

~আমার কবে ছুটি হবে?

ফেসবুকে আমি:
ইসমাইল হোসেন (ভাবুক)
সামু ব্লগে:
স্বচ্ছ দর্পন 
০১-০৫-২০১৮

Share:

Tuesday, June 5, 2018

পথের পথিক-ইসমাইল হোসেন (ভাবুক)

পিচঢালা পথে আমি হেটেছি
অজানা পথের পথিক বেশে,
বিষন্ন পায়ে পিচগলা রোদে
বেশ ক্লান্ত হয়েছি শেষে।
দেখেছি ব্যাস্ত মানুষের
অযথা নিদারুন ছোটাছুটি,
পাতা কুড়ানির মেয়েটার হাতে
দুদিনের বাসি একটি রুটি।
দেখেছি নতুন নতুন স্বপ্ন
ফেরিওয়ালার অক্লান্ত পরিশ্রমে,
দেখেছি বুক ভরা উচ্ছাস
কচুরিপানার হালকা নীল রঙে।
স্কুল-পালানো ছেলেটার হাতে
দেখেছি আকাশী রঙের ঘুড়ি,
হাড় কাঁপানো শীতে থরথরে কাঁপা
ষাট বছরের দরিদ্র বুড়ি।
দেখেছি রাস্তায় থেঁতলে পড়ে থাকা
বেওয়ারিশ মানুষের আর্তনাদ,
দেখেছি প্রতিটি দিনমজুরের
একেকেটি নির্ঘুম দুর্বিষহ রাত।
শুনেছি প্রিয়জন হারানো মানুষ গুলোর
কষ্ট মাখা কন্ঠের আত্ম চিৎকার,
দেখেছি শোষক শ্রেণীর প্রতি
শোষিত মানুষের নিরব ধিক্কার।
দেখেছি বৃদ্ধাশ্রমে মা-বাবার
কুলাঙ্গার সন্তানের জন্য কান্না,
শুনেছি বিধাতার কাছে মিনতি-
"নিয়ে যাও খোদা,আর বাঁচতে চাইনা।"
দেখতে দেখতে ক্লান্ত আমি
রেখে যাচ্ছি আমার পদচিহ্ন,
এই পথিকের পথে আসবেনা কেউ,
সবার পথটাই যেন ভিন্ন ভিন্ন।
,
পথের পথিক
সমাইল হোসেন (ভাবুক)
সামু ব্লগে: স্বচ্ছ দর্পন
০৮-১২-২০১৭
,
ব্যাখ্যা: জীবন একটি পথ আর আমরা সেই পথের পথিক। এই পথটা সবার জন্যই ভিন্ন।জীবন পথে পাড়ি দিতে অনেক কিছুই আমরা দেখতে পাই। পরিচয় হয় অনেক মানুষের সাথে, পরিবেশের সাথে।একসময় সব পদচিহ্ন রেখে আমরা ক্লান্ত হয়ে পথটা শেষ করি।

Share:

Monday, December 25, 2017

তবুও সে খুঁজছে- মাস্টার দ্যা নাঈম

রাতের বেশ্যা দশ মিনিটের জন্য অন্ধকার গলি কিংবা ওভারব্রিজে তার অভিজ্ঞ চোখে খুঁজছে একজন ক্রেতা -নিজের শরীর বিকেয়ে দু'মুঠো অন্ন যোগাবে বলে!খদ্দেরের অভাবে তার ভীষণ মন খারাপ হয়...ছটফট করে খুঁজতে থাকে এ গলি থেকে ও গলি।তবুও সে খুঁজছে...

বাবার কাঁধে বসে খাওয়া ছেলেটা বেকার শব্দ শুনতে শুনতে নিজের প্রতি এক তীব্র ঘৃণা নিয়ে দিকবেদিক ছুটছে একটা চাকরীর খোঁজে। পত্রিকার পাতায় পাতায় চাকরীর বিজ্ঞাপন অথচ ছেলেটার চাকরী হয়না।তবুও সে বেকার শব্দটার দ্বায়ভার থেকে মুক্তি চায়...!

চেহেরা কালো বলে পাত্র পক্ষ মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় যেই মেয়েটার রাতে ঘুম হয়না ;সেই মেয়েটা একটু সুন্দর হতে কতো চেষ্টাই না করেছিলো।অথচ মেয়েটার মন ছিলো অনেক ভালো।কে দেখে সেই ভালো?
ডিভোর্সি নারী জানে কেমন করে রাতের ভেজা বালিশ সকালে শুকাতে দিতে হয়।রোজ রোজ বুকের যন্ত্রনা চেপে সবার সাথে হাসতে হয়...তবুও সে একটু শুদ্ধহাসির খোঁজে দিশেহারা।সে একটা ভালো পুরুষের সান্নিধ্য চায়।কিন্তু আফসোস তার দিকে কেউ ভালোবাসার দৃষ্টি দিতে চায়না।যারা দৃষ্টি দেয়, তাদের চোখে সে দেখে কামুকতা লালসায় ভরা এক জোড়া পরকীয়ার চোখ।তবুও সে সুখী হতে চায়... যদি মনের রাজ্যে একটু সুখী হওয়া যায়।

মুক্তিচায় বিনা অপরাধে শাসকের জেলখানায় মিথ্যে মামলায় বন্দি হওয়া রাজনীতির কালো থাবায় অতিষ্ঠ জীবন।
ডিপ্রেশনে ভোগা ছেলেটাও খুঁজছে মুক্তির পথ!নিকোটিন পুড়িয়ে কলিজায় ক্ষত হয়েছে তবুও সে এই ঘোর থেকে বের হতে চায়...কিন্তু ছেলেটা অসহায়!

একটা ছেলেকে বিশ্বাস করে নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিয়ে অতঃপর চরমভাবে ঠকে যাওয়া মেয়েটা মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে এসেছে আরেকজোড়া বিশ্বস্ত হাত পাবে বলে!আরেকবার কাউকে বিশ্বাস করবে বলে।

ভালোবেসে প্রেমিকার নামে বুকের জমিন লিখে দিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে পরাজিত হওয়া ছেলেটাও স্বপ্ন দেখে সানাই বাজিয়ে গ্রাম কাঁপিয়ে একদিন সে বিয়ে করবে তার চোখে সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটাকে।
বিশাল অট্টালিকার মধ্যে থেকেও মনের রাজ্যে অসুখী হয়ে ছটপট করছে নিতাই বাবুর সুন্দরী স্ত্রী পঞ্চমী রানী।এই যে তার টাকা পয়সা সব কিছুই রয়েছে তবুও তার কিসের যেন একটা অভাব,কিসের যেন একটা শুন্যতা!এই শূন্যতাবোধ পঞ্চমীকে গিলে খাচ্ছে ক্রমশ। মেয়েটা বুঝে গেছে মনের শান্তিই আসল।মেয়েটা ভালোবাসা খুঁজছে... খুঁজছে মনের শান্তি।
গ্রীষ্মের খাঁ খাঁ রোদ্দুরে ক্লান্ত পথিক আসবে... এক গ্লাস লেবুর শরবত খাবে এই আশায় শরবত নিয়ে বসে থাকা ছেলেটা আকাশে মেঘ দেখলে কেঁদে উঠে।সে রোদ চায়... প্রচুর রোদ...

মধ্যবিত্ত ঘরে জন্ম নেওয়া ছেলেটা মধ্যবিত্ত শব্দ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছে। নিম্নবিত্ত ছেলেটা জানে নিম্নবিত্ত শব্দটা তার মাসতুত ভাই তবুও সে একটু ভালো থাকার পথ খুঁজছে।

মেধাবী গরীব ছাত্রটা খুঁজছে একটা টিউশনি, রাজপথ কাঁপানো ছেলেটা খুঁজছে তার যোগ্য পদ।সবাই খুঁজছে... খুঁজতে খুঁজতে দিশেহারা!

রোমান্টিক প্রেমিকযুগল চায় একটু বৃষ্টি নামুক,প্রেয়সীর হাত ধরে রাজপথ ভিজুক,ভিজুক যত গ্রাম পল্লী আর মাঠঘাট ।
মাথার উপর ছাউনি না থাকা কুসুমের মা -৩ বছরের কুসুমকে বুকে জড়িয়ে প্রভুর দরবারে হাত তোলে এই মেঘে যেন বৃষ্টি না হয় ।
ছাতাবিহীন ক্লান্ত পথিক খুঁজে ফিরে একটা ছায়াধর বটগাছ।
ডাকাত দল খুঁজছে বিদেশ ফেরত টাকাওয়ালা বাবুরামকে।ছিনতা
ইকারী খুঁজছে যাকে তাকে। এভাবেই চলছে খোঁজাখুঁজি...
লেখকেরা খুঁজে একটা বিশ্বস্ত প্রকাশক,নিঃস্বার্থ কিছু পাঠক!পাঠক খুঁজে ভালো কিছু বই...ভালো কিছু লেখক।
রাস্তার টোকাই খুঁজে একটা খালি বোতল,ফুসকা বিক্রেতা খুঁজে কিছু ফুসকাখাদক।

এভাবেই আমরা সবাই খুঁজছি...খুঁজতে খুঁজতে আমরা ক্লান্ত,বড্ড ক্লান্ত,তবুও আমরা খুঁজছি।আমাদের প্রত্যেকের জীবনটাই অপূর্ণতা দিয়ে ভরপুর, এভাবে অশান্তির দাবানল থেকে শান্তির পথে,আঁধার থেকে আলোর পথে,বন্দি থেকে মুক্তি চাইতে চাইতে একদিন অসীম শূন্যতায় পাড়ি দেব।
,
লেখক: মাস্টার দ্যা নাঈম

Share:

Thursday, October 5, 2017

[আমাদের গল্প] একজন চিকিৎসকের আত্মকথন

বাইরে অ্যাম্বুলেস্নের আওয়াজ হচ্ছে,ভিতরে অনেকেই চিৎকার কাঁদছে,আবার কেউ নিস্তব্ধ হয়ে লাশের দিকে তাকিয়ে আছে, আবার কেউবা গেছে কাপনের কাপড় কিনতে।ডেডবডি বিদায় করে কিভাবে সিট খালি করা ‌যায় তা নিয়ে আমি ব্যস্ত। অপর এক রুমে দেখলাম তাদের কর্তা মিষ্টি নিয়ে এসেছে।কেননা তাদের পরিবারে আগমন ঘটেছে নতুন প্রজন্মের।জন্ম নিয়েছে নতুন শিশু।একই যায়গায় ভিন্ন মানুষের ভিন্ন অনুভুতি ভিন্ন প্রতিচ্ছবি। কিন্তু এসব অনুভূতি আমাকে আকর্ষণ করেনা।অনেকেই মৃত মানুষ দেখলে ভয় পায়,কিন্তু আমি পাইনা।আমি নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি পরিবেশের সাথে।সকাল সন্ধ্যা কত মানুষকে মরতে দেখেছি।আমার হাতের উপর মাথা রেখে মৃত্যুবরন করেছে অনেকে,কিংবা আমার হাতের কেঁচির আঘাতে,অপারেশন থিয়েটারে।সেসব মৃত্যুর জন্যও নিজেকে দায়ী মনে হয়না।কিছু মানুষ সামান্য রক্ত দেখলেই ভয় পায়,আমি শুধু রক্ত নয় একটি মানুষের ভিতরকার সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখেছি।কখনওবা Post Mortem এর সময় কসাইয়ের মতো শরীর থেকে আলাদা করে নিয়ে নিয়েছি সেসব।কিন্তু  নিজের কাছে আমাকে কসাই মনে হয়না,আমি ভয়ও পাইনা।কারন আমি একজন ডাক্তার। নিজেকে এসবের সাথে মানিয়ে নিয়েছি।ডাক্তারদের কি তাহলে কোনো ভয় নেই?জানিনা। সেটা এখনো আমার অজানা।তবে আমি ভয় পেয়েছি সেদিন,যেদিন এক সুঠাম দেহের অধিকারী তাগড়া জোয়ানকে মরণ যন্ত্রনায় চিৎকার করতে দেখেছি।মরণ যন্ত্রনা কতো কঠিন সেটা যদিও জানিনা,কিন্তু সেদিন কিছুটা হলেও উপলব্ধি করেছি।সে ভয় আমার আজও করে,মরণের ভয়।পরকালের ভয়।একজন সুঠাম তাগড়া জোয়ানের যদি মৃত্যু এতো কঠিন হয়,তাহলে আমার মতো নাফরমান,পাপীর মৃত্যু‌ কেমন হবে?
ভাবায়,,,,,,,,,, সত্যিই ‌খুব ভাবায়,,,,,,।
,
কল্পিত ডায়েরী:একজন ডাক্তারের আত্নকথন
লেখক:ইসমাইল হোসেন(ভাবুক) 
বি.দ্র:আমি কোনো ডাক্তার নই,আর ডাক্তারের অনুভূতি সম্পর্কে আমার ভালো ধারনাও নেই। লেখাগুলো একান্তই আমার ভাবনা থেকে গৃহীত।তাই ভূলত্রুটি মার্জনীয়।
ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন আর শেয়ার করবেন।আমাকে ফলো করবেন।
ধন্যবাদ।
Share:

Tuesday, October 3, 2017

[আমাদের গল্প] একটি নতুন সকাল

প্রতিটি সকাল মানে আামদের জন্য নিজেকে বদলে নেওয়া নতুন সুযোগ। আমরা সুযোগ টাকে কতটুকু কাজে লাগাতে পারি তা লেখক তার লেখনিতে ফুটিয়ে তুলেছে।নিচে লেখাটুকু দেওয়া হলো।
এই যে সকাল হল। রাতভর স্বপ্ন দেখা মানুষ গুলো চোখ মুখ ধুয়েই এক একজন মিলিটারি হতে শুরু করবে। সারারাত যে রাস্তার মাঝখানটায় দাড়িয়ে নাইট গার্ড বাঁশি বাজালেন একটু পর সেখানেটায় ট্রাফিক সার্জেন্ট এসে সিগন্যাল দিবেন, ছোট খাটো জ্যাম লেগে যাবে।
বাচ্চারা ঘুম থেকে উঠেই বিশ্ব জয় করতে পাঠশালার উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়েছে; শহরের সব ঘুষখোরেরা একটু পরই নাস্তা খেতে খেতে সন্তানকে দু একটা উপদেশ দিয়ে ঘুষ খেতে বের হয়ে পড়বে। হতাশা যন্ত্রণায় যে বেকার ছোকরা রাতে এক ফোটাও ঘুমাতে পারেনি সেও হয়ত বের হয়ে পড়েছে ইন্টার্ভিউ দিতে। দু কদম গিয়ে আবার হয়ত বাবার সামনে মাথা নিচু করে দাড়াবে, যাবার ভাড়াটা যে নেই।
সকাল হয়ে গেল। নতুন নতুন প্রেম করা ছেলে মেয়ে গুলো সেই যে রাত থেকে কথা শুরু করেছে ; মাত্র ফোন রেখেছে। কেউ হয়ত সারারাত কাউকে ওয়েটিং এ পেয়ে কষ্টের গান গুলো প্লে লিস্টে দিয়ে বাতি বন্ধ না করেই আধ শোয়া অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়েছে।
সারারাত যন্ত্রণায় ছটফট করা রোগীর জীবনে এটাই শেষ সকাল। আদরের মেয়েকে চুমো খেয়ে যে পুলিশ অফিসার বাসা থেকে বের হবেন, তিনিই ঘণ্টা দুয়েক পর চাঁদা না পেয়ে ফুটপাতের তরকারী ওয়ালাকে লাথি মেরে বিনা মূল্যে দুটা ফুলকপি পলিথিনে করে বাসায় নিয়ে আসবেন।
আজ সকালে ঘুম থেকে উঠার পর পরই কারো মনে পড়ে যাবে গতকাল রাতে বাবা মারা গেছে ! কিছুক্ষণ পুরো ব্যাপারটাকে স্বপ্ন ভাবার চেষ্টা করে আবার হয়ত ঘুমাবার চেষ্টা করবে ! নিজেকে বোঝাবে - এবার হয়ত ঘুম থেকে উঠে দেখবে , বাবা আসলে মরে নি !!
যে শুয়োরের বাচ্চাটা আজ মাগরিবের নামাযের পর কাউকে ধর্ষণ করবে সে হয়ত এখনো কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমোচ্ছে। টেবিলে খাবার সাজিয়ে তার মা কপালে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে- বেলা হয়েছে; ঘুম থেকে উঠো !
লেখক- জুনায়েদ ইভান
বি দ্র: লেখাটুকু ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট ও শেয়ার করবেন। ভালো থাকবেন।
কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন: ইসমাইল হোসেন
Share:

Latest Posts

Search This Blog

Contact Form

Name

Email *

Message *

Followers